পর্তুগাল উজবেকিস্তানের মুখোমুখি হবে। প্রথম ম্যাচে পর্তুগাল বাধ্য হয়ে ড্র করেছে, তাই পয়েন্টের চাপের মধ্যে শুধু পূর্ণ ৩ পয়েন্টই নয়, শেষ রাউন্ডের জন্য গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে গোল-পার্থক্যও বাড়াতে হবে। এ ম্যাচে তাই আক্রমণের গতি অবশ্যই বাড়াবে, এবং প্রান্তিক আক্রমণ ও সেট-পিসের সুবিধা ধারাবাহিকভাবে কাজে লাগবে। উজবেকিস্তান মূলত পাঁচজন ডিফেন্ডার নিয়ে রক্ষণ সাজায়, কিন্তু তাদের রক্ষণের পারস্পরিক সহায়তা এবং দ্বিতীয়ার্ধের শারীরিক সক্ষমতার দুর্বলতা স্পষ্ট। প্রথম রাউন্ডে কলম্বিয়ার বিপক্ষে ভেঙে পড়ার পর্যায়ে তারা টানা দুই গোল হজম করেছিল। তবে পাল্টা আক্রমণে তাদের নির্ভরযোগ্য গোল করার ক্ষমতাও আছে, তাই তারা একেবারে গোলহীন নয়। দুই দলের ২০১২ সালের প্রীতি ম্যাচে ৫-২ গোলের উন্মুক্ত স্কোরলাইন দেখা গিয়েছিল, যা তাদের আক্রমণ-রক্ষণ বৈশিষ্ট্যকে বেশ খোলামেলা করে তোলে। ম্যাচ চলাকালীন আক্রমণাত্মক দক্ষতায় ওঠানামা থাকে, তাই শতভাগ নিশ্চিত হওয়া যায় না; তবে সামগ্রিকভাবে লড়াইয়ের মানসিকতা ও আক্রমণ-রক্ষণের বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় বড় ৩.২৫।